জানা গেছে, নগরীর মাসকান্দা বলাশপুর নয়াপাড়া এলাকায় গত ১৩ বছর ধরে প্রভাত ফেরী নামে একটি মাদকাসক্ত ও মানসিক পূনর্বাসন কেন্দ্র চলছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় সেন্টারে আনা হয় জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউপির তরফপাছাইল গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে আরমানকে। সে স্থানীয় ধনিয়াকান্দি ফাজিল মাদরাসায় উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত কয়েক মাস ধরে আরমান মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার করছিল পরিবারকে। মাদকের টাকার জন্য চাপ দিত। গত তিনদিন ধরে মাদক সেবন করে উশৃংখল আচরণও করতো। ওই অবস্থায় গত সোমবার দুপুরে আরমানের বাবা প্রতিবেশী স্থানীয় ইউপি সদস্য শরাফ উদ্দিনের সঙ্গে পারমর্শ করেন। ইউপি সদস্যের পরামর্শে বিকেলে খবর দেওয়া হয় প্রভাত ফেরী মাদকাসক্ত ও মানসিক পূনর্বাসন কেন্দ্রে। কেন্দ্রটি থেকে অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ৫ সদস্যের একটি দল বাড়ি থেকে নিয়ে আসে আরমানকে। কিন্তু পথে নিরাময় কেন্দ্রে আসতে না চাইলে আরমানকে রশি দিয়ে বেঁধে আনা হয়।
.png)
সোমবার মধ্য রাতে বমিও করে আরমান। কিন্তু সকাল ৯টার দিকে আলাদা একটি কক্ষে নেওয়া হয় আরমানকে। এর পরই অসুস্থ হয়েছে বলে পরিবারকে মোবাইল ফোনে এমনটি জানিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, নিহতের শরীরে আঘাত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।