সোমবার এমন সাফল্য জানার পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দসহ সব শিক্ষার্থী আনন্দ উদযাপন করে। এর আগে, পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টি ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কুল অ্যাওয়ার্ড ২০২২ অর্জন করেছে। জেলা-উপজেলাতেও শ্রেষ্ঠ স্কুল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন বলেন, আমি বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছি। সব শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য দুইটি পাকা ভবন ও একটি টিনের ঘর আছে। এই পাকা ঘরগুলোই নানা চেষ্টায় বৃদ্ধি করতে পেরেছি। তবে তিনশতাধিক শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়টিতে আরো শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষ সংকট থাকলেও আমাদের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ভালো পড়াশোনা, ভালো গাইড লাইন দিয়ে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে সক্ষম হয়েছেন। তাই আমরা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২২ অর্জন করতে পেরেছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শতভাগ ক্লাস নিশ্চিতের পাশাপাশি বিভিন্ন রকম বিনোদন ও শৃঙ্খলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুন্দর মমতাময়ী ব্যবহারও করা হয় ছোট্ট সোনামণিদের সঙ্গে। এ কারণে বিদ্যালয়ে ভর্তির পর কোনো শিক্ষার্থী ঝরে যায় না। এই সাফল্যের জন্য আগামী ১২ মার্চ ঢাকা ওসমানী মিলনায়তনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেওয়া হবে আমাদের।
পুঠিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেন বলেন, এই ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সত্যিকার অর্থে একটি চ্যালেঞ্জ। ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেই চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই অর্জন ও সাফল্যে আমিও আনন্দিত।