রোববার (৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বালুখালীর ১১ নম্বর ক্যাম্পের বি ব্লকের একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন মুহূর্তের মধ্যে ৯, ১০, ১২ নম্বর ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়ে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ পর্যন্ত ২ হাজারের অধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হলেও তা নিশ্চিত করে বলতে সময় লাগবে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
.png)
ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজার স্টেশনের উপ- সহকারী পরিচালক অতীশ চাকমা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষত-ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য নির্ধারণে কাজ চলছে। তা সঠিক জানাতে সময় লাগবে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এবিপিএন) এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান, আগুনে ২ হাজারের অধিক ঘর পুড়ে যায়। এতে ১২ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্যাম্পের ঘরগুলো পাশাপাশি হওয়ায় আগুন ১২, ১১, ১০ ও ৯ নম্বর ক্যাম্পে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের সূত্রপাত কি কারণে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও সন্দেহজনক এক যুবকে আটক করেছে এপিবিএন ও পুলিশ। আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছুদ্দৌজা নয়ন জানান, প্রাথমিক অবস্থায় ২ হাজার ঘর পুড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনের কারণ এখন বলা যাচ্ছে না। হতাহতের কোনো তথ্যও আপাতত নেই।
বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা আবুল কাশেম, মনসুর আলী ও সুরত আলম বলেন, পরিকল্পিতভাবে এ আগুন দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। আরসার সন্ত্রাসীরা এ অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে আমাদের ধারণা।
একই ক্যাম্পে ২০২১ সালের ২২ মার্চ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা হয়ে ছিল। ওই সময় ১১ জনের মৃত্যু, ৫ শতাধিক আহত হয়। পুড়ে গিয়ে ছিল ৯ হাজারের বেশি ঘর।