হারুনুর রশীদ ওরফে হারেজ (৬৫)। তিনি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা কামালদিয়া ইউনিয়নের কামালদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মাজেদ শেখের ছেলে। বর্তমানে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। বর্তমানে তিনি বাড়িতেই থাকেন। নিজের ক্ষেত-খামারের সময় দেন।
হারুনুর রশিদ শেখ বলেন, আমি জার্মানির ডর্টমাউন্ড শহরে থাকতাম। আমার পাসপোর্টে নাম ছিল শেখ রশীদ। আমরা ওখানে তিন বন্ধু থাকতাম। আমার পাসপোর্ট জটিলতার কারণে পুলিশি ঝামেলায় পড়ি। জেলও খেটেছি। দুই বন্ধু আমাকে জেলে দেখতেও আসে। এরপর ১৯৮৭ সালের শেষের দিকে জার্মানি থেকে দেশে চলে আসি। আমার যতোটুকু মনে পড়ে মহিরুদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামে। আমিও তাকে অনেক খুঁজেছি, চিঠি লিখেছি। কিন্তু দীর্ঘ ৩৭ বছরেও তার খোঁজ পাইনি। আমি আমার পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।
.png)
এর আগে ‘সাক্ষাৎ চাই’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছেন মহিরুদ্দিন। সেখানে বাংলাদেশি একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। কল দিয়ে জানা যায় ওই নম্বরটি গোপালগঞ্জ শহরের ওমর ফারুক নামের এক যুবকের।
ওমর ফারুক বলেন, মহিরুদ্দিন আগে জার্মানি থাকতেন বর্তমানে কানাডাতে থাকেন। সেখানে আমার চাচা শওকত আলীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শওকত আলী দেশে এসেছেন। তার অনুরোধে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি দিয়েছি। এরপর হারানো বন্ধুকে খুঁজে পাওয়া যায়। বিষয়টি মহিরুদ্দিনকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।