মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ডা. নিশাত আবদুল্লাহ আমার মেয়ের চিকিৎসার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্ট করেন। আমার মোবাইল নম্বরে তার ব্যক্তিগত মোবাইল থেকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ৩২ মিনিটে ‘ঘুম?’ রাত ১২টা ৩৪ মিনিটে ‘রাগ?’ রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে ‘কথা বলা যাবে?’সহ বিভিন্ন সময় ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা প্রেরণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় ফোন করে আমাকে একা দেখা করতে বলেন। আমার মেয়ের সু-চিকিৎসার কথা চিন্তা করে চিকিৎসকের মোবাইলের কল ও ম্যাসেজের বিষয়ে কাউকে কিছু জানাইনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আমার মেয়েকে নিয়া শেখপাড়া হক নার্সিং হোমের চেম্বারে ড্রেসিং করানোর জন্য যেতে বলেন। সন্ধ্যায় সেখানে গেলেও আমাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন। রাত সাড়ে ৮টায় আমার মেয়েকে নিয়ে অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে গেলে নিশাত আবদুল্লাহ আমাকে বিভিন্ন প্রকার আপত্তিকর কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে আমার হাত ধরে টেনে তার কাছে নেয়ার চেষ্টা করেন। তার কু-মতলব বুঝতে পেরে মেয়েকে নিয়ে আমি অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে আসি। বিষয়টি ক্লিনিক মালিককে জানালে তিনি ডা. নিশাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আমাকে কাউকে না বলার জন্য শাশান।
.png)
এ ব্যাপারে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মমতাজুল হক জানান, মামলাটি গ্রহণ করে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।