আহতরা হলো, শহরের থানাপাড়া এলাকার নাছিম আলীর ছেলে সাইদ হোসেন (১২) ও গোভিপুর গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে রুবেল হোসেন। আহতদের মধ্যে সাইদ হোসেনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও রুবেল হোসেনকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাইদ হোসেনের ডান হাত ঝলসে গেছে। এছাড়া রুবেল হোসেনের হাত ও পা ঝলসে গেছে।
মেহেরপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক অমৃত সরকার আহত দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে সাইদের ডান হাত ঝলসে গেছে। এছাড়া রুবেলের হাত ও পা ক্ষত হয়েছে। সাইদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সাঈদকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে।
.png)
মেহেরপুর সদর থানার ওসি শেখ মইনুল হোসেন জানান, পাড়ার ছোট ছোট বাচ্চারা প্রতিদিনই থানা চত্বরের মাঠে খেলা করে। সকাল ১০টার দিকে ওই বাচ্চা দুটি কৌটাতে লাল কসটেপ মোড়ানো বোমাটি না বুঝেই একটি ইটের ওপর রেখে অপর ইট দিয়ে বাড়ি দেয়। ইটের প্রথম আঘাতে কিছু না হলেও দ্বিতীয় আঘাতে প্রচন্ড শব্দে বোমাটি ফেটে যায়। এ সময় বাচ্চা দুটি আহত হয়।
তিনি আরো জানান, তাদের চিকিৎসার সব ধরনের খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত। তারা কিভাবে বোমাটি পেলো সে ব্যাপারে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর পুরো ঘটনা বলা যাবে।
মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আজমল হোসাইন বলেন, এরমধ্যে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।