বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান চালায় নৌ পুলিশ।
সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
.png)
তিনি বলেন, অভিযানের সময় কাগজপত্র সঠিক না থাকায় ৭ টি বাল্কহেড এবং পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের কাছ থেকে অবৈধ ৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত বাল্কহেডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং উদ্ধারকৃত কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান বলেন, অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সবসময় অভিযান পরিচালনা করে থাকি। পূর্বে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। যার কারণে ইলিশের উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় মার্চ-এপ্রিল দুইমাস জাটকা রক্ষায় ৭০ টি স্পিডবোটে দেড় হাজার পুলিশ নিয়োজিত থাকবে।
নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায়, চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. কামরুজ্জামান, চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ পুলিশ সদস্যরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।