নাছরিন আলফাডাঙ্গা পৌরসভার চর নওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি কাশিয়ানী উপজেলার শিবগাতী গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী। তিন সন্তান নিয়ে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার চর নওয়াপাড়া গ্রামে মাহামুদুল হাচানের বাড়িতে তিনি ভাড়া থাকতেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পাঁচটি মোবাইল নম্বর থেকে প্রায় সময় ফোন দিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভয়ভীতি দেখায় তারা। গত ২ ফেব্রুয়ারি কোনো এক সময় বাড়ির বাউন্ডারিতে চিরকুট লিখে রাখে। সেখানে অশ্লীল ভাষা ব্যবহারসহ ঘরে আগুন দেওয়ার কথা লেখা ছিল।
.png)
বিদ্যালয় দুই দিন বন্ধ থাকায় নাছরিন গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্বামীর বাড়ি চলে যান। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাসায় ফিরে দেখতে পান বাড়ির মূল ফটক ও ঘরের তালা ভাঙা। পরে ঘরে ঢুকে দেখতে পান তাদের ব্যবহৃত সব পোশাক, প্রয়োজনীয় মালামাল ও খাদ্য পণ্যসহ সব জিনিসপত্র আগুন দিয়ে পোড়ানো।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফিয়া পারভিন জানান, চিরকুটের ঘটনায় নাছরিনকে থানায় সাধারণ ডায়রি করতে বলেছিলাম। তবে গ্রামের মাতুব্বররা বলেছিলেন বিষয়টি তারা দেখবেন।
বাড়ির মালিক মাহামুদুল হাচান বলেন, স্কুল শিক্ষিকা তিন সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকেন। দেওয়ালে চিরকুট লেখার বিষয়টি নিয়ে সেলিম শেখ নামে এক স্থানীয় মাতুব্বর বলেছিলেন তিনি বিষয়টি দেখবেন। যার কারণে আমি আইনের আশ্রয় নেইনি।
তবে বিষয়টি জানতে সেলিম শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো.আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।