ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ের প্রলোভনে সাড়ে ৪ বছর ধরে প্রেমিকার সঙ্গে একান্ত সময় কাটাতেন হাবীব, অতঃপর...

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:১০, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
বিয়ের প্রলোভনে সাড়ে ৪ বছর ধরে প্রেমিকার সঙ্গে একান্ত সময় কাটাতেন হাবীব, অতঃপর...
ফাইল ছবি

হাবীবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক তরুণীর। ওই প্রেমের সম্পর্কের জেরে প্রেমিকের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান তরুণী। বিয়ের প্রলোভনে প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে প্রেমিকার সঙ্গে গড়ে তুলেছেন শারীরিক সম্পর্ক। এরপর প্রেমিকা বিয়ের কথা বললে নানা টালবাহানা শুরু করেন হাবীব। একপর্যায়ে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। শুধু তাই নয়, বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য হত্যার হুমকি দেন।  

গত শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আবারো ভুক্তভোগীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই তরুণী জয়পুরহাট  র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ ক্যাম্পে অভিযোগ করে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রেমিক হাবীবকে আটক করে র‌্যাব-৫।

ঘটনাটি জয়পুরহাটের। রোববার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোস্তফা জামান। আটকৃকত প্রেমিক হাবিব রহমানকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বুলু পাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। 

Advertisement

মেজর মোস্তফা জানান, রোববার দুপুরে জয়পুরহাট সদরের প্রিন্সের চাতাল এলাকা থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত হাবীব রহমানকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগীর সঙ্গে হাবীবের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে বিয়ের আশ্বাসে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেন হাবীব। পরে প্রেমিকা বিয়ের কথা বললে নানা টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। আর বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য হত্যার হুমকি দেন।

শনিবার সদর উপজেলার খঞ্জনপুর এলাকার সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পাশে নেপিয়ার ঘাস ক্ষেতে ভুক্তভোগীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই তরুণী জয়পুরহাট  র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। পরে ক্যাম্পের দল জয়পুরহাট সদরের প্রিন্সের চাতালের পাশে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ধর্ষক ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে আসামির বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!