এই দিবসকে ঘিরে সকাল থেকেই প্রতিটি ফুলের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। এমন দৃশ্য দেখা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকায় ফুলের দোকানগুলোতে। তবে অন্যদিনের চাইতে সব ধরনের ফুলের দাম বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে এমনটাই দাবি ক্রেতাদের।
তারা জানান, সাধারণ সময়ের যেখানে একটি গোলাপ ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বিক্রি হয়েছে সেখানে ৩০ থেকে ৫০ টাকা দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। তুলনামূলক বেশি দাম ছিল অন্য ফুলগুলোতেও।
.png)
তবে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে ফুলের দাম তুলণামূলকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরেজমিনে পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকা দেখা যায়, স্থায়ী দোকানগুলোতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশপাশি নানা বয়সী লোকজনের ভিড়। দোকানিরাও গোলাপ, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকাসহ বিভিন্ন ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। তবে লাল গোলাপের প্রতি আকর্ষণ ছিল সবার বেশি রয়েছে। লাল গোলাপ ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা,রজনীগন্ধা প্রতিপিস ১৫টাকা ৩০ টাকা, গাঁদা ফুলের মালা ৫০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফুল কিনতে আসা শিরিন আক্তার বলেন, তাদের বিয়ে হয়েছে ১০ বছর চলছে। গত ৫ বছর এই দিনে তার স্বামীকে ফুল দিয়ে আসছেন বলে জানান। তাই ফুল কিনতে তিনি দোকানে এসেছেন। লাল গোলাপ, রজনীগন্ধাসহ অন্যান্য জাতের কয়েটি ফুল কেনেন। গত বছরের চাইতে এবার ফুলের দাম অনেক বেশি বলে জানান।
পারভেজ জানান, তিনি প্রবাসে থাকেন। গত সপ্তাহে তিনি দেশে আসেন। দাদা দাদিকে চমকে দিতে তিনি লাল গোলাপ ক্রয় করেনে।
শিল্পি আক্তার বলেন, গত ২ মাস আগে তার বিয়ে হয়েছে। তার স্বামী তাকে ফুল দিতে নিয়ে এসেছেন। স্বামীর হাতে ফুল পেয়ে তার খুবই ভালো লাগছে।
সড়ক বাজারের ফুল ব্যবসায়ী মো. আবির হোসেন বলেন, পাইকারি পর্যায়ে বেশি দামে ফুল কেনা হয়েছে। ‘গোলাপ পাইকারি কিনতে হয়েছে ১৫-২০ টাকায়। পাইকারি দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় রয়েছে। গোলাপ, রজনীগন্ধাসহ অন্যান্য ফুল ও ভালো বিক্রি হচ্ছে।