ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিমানে স্বামী, শুনেই টাকা-স্বণালংকার নিয়ে ইমামের সঙ্গে উধাও স্ত্রী

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৫৪, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
বিমানে স্বামী, শুনেই টাকা-স্বণালংকার নিয়ে ইমামের সঙ্গে উধাও স্ত্রী
ফাইল ছবি

সৌদি আরব প্রবাসী মঞ্জিল হোসেন। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে আসার জন্য বিমানে ওঠেন মঞ্জিল। স্বামী আসছেন শুনে ১০ ভরি সোনার গহনা, ১০ লাখ টাকা ও কন্যাশিশুকে নিয়ে মসজিদের ইমাম আরিফের সঙ্গে পালিয়ে যান স্ত্রী। ওইদিন দুপুরে বাড়ি পৌঁছাতেই পান এমন দুঃসংবাদ পান তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস এলাকায়।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার। ভুক্তভোগী প্রবাসী মঞ্জিল হোসেন খোশবাস লুতু চেয়ারম্যান বাড়ির বাসিন্দা। তাদের একটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে রয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন, জেলার কোতোয়ালি থানা এলাকার হালিমা নগর গ্রামের আয়েত আলীর মেয়ে স্ত্রী নাসিমা আক্তার ও মসজিদের ইমাম বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে আরিফ হোসেন ওরফে কাজল।

Advertisement

জানা গেছে, প্রায় ১৩ বছর আগে মঞ্জিলের সঙ্গে বিয়ে হয় নাসিমার। তখন থেকেই মঞ্জিল মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। পরে ভালো আয়ের আশায় সৌদি আরব পাড়ি দেন তিনি। দাম্পত্য জীবনে সুখেই ছিলেন তারা। কিন্তু একপর্যায়ে মসজিদের ইমাম আরিফের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন নাসিমা। তার স্বামী তখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

এদিকে বিষয়টা জানাজানি হলে নাসিমার ভাই মনির হোসেনসহ সবাই তাকে তিন সন্তানের দিকে তাকিয়ে সংসারে মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। এরমধ্যে এ ঘটনায় স্ত্রী নাসিমা আক্তারের ভাই মনির হোসেন বাদী হয়ে বরুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে আসার জন্য বিমানে ওঠেন মঞ্জিল। তার আগে মঞ্জিল ও নাসিমার ফোনে স্বাভাবিকভাবেই কথা হয়। মঙ্গলবার ভোরে মসজিদের ইমাম আরিফ গাড়ি এনে নাসিমাকে নিয়ে যান। এ সময় নাসিমা তার আলমারিতে থাকা ১০ ভরি সোনার গহনা, ১০ লাখ টাকা ও ছোট কন্যাশিশুকে নিয়ে আরিফের সঙ্গে পালিয়ে যান। ওইদিন দুপুরে বাড়ি এসেই এমন দুঃসংবাদ শুনতে পেয়ে স্ত্রী নাসিমার পরিবারকে খবর দিয়ে আনেন।

বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!