এর আগে, সোমবার রাতে নগরের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে জয়নাল আবেদীনকে গ্রেফতার করে নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ। পরে মঙ্গলবার আদালতে তার সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
জয়নাল আবেদীন বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা। তিনি নগরের ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন। ২০১৯ সালে গ্রেফতারের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
.png)
নগর পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) আমজাদ বলেন, আদালতে জয়নাল আবেদীনের সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিল কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ। শুনানি শেষে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
২৪ জানুয়ারি জন্মনিবন্ধন সনদ জালিয়াতির অভিযোগে খুলশী থানায় মামলা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাহাড়তলী ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সহকারী আনোয়ার হোসেন। ওই মামলায় ২৩ জানুয়ারি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে সোমবার রাতে জয়নালকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ জানায়, জালিয়াতির মাধ্যমে ৫০টির বেশি জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করেছেন জয়নাল। প্রতিটি ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করতে গড়ে দেড় হাজার থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা নিতেন। রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন সনদসহ জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য তিনি। তার বিরুদ্ধে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির দুটি এবং দুদকের দুটিসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। দুদকের মামলাগুলো বিচারাধীন। বাকি দুটি তদন্তাধীন।