ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

পাড়ে বসেই বিক্রি হচ্ছে তরতাজা পায়রার ইলিশ

বরগুনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩৩, ২২ নভেম্বর ২০২১
পাড়ে বসেই বিক্রি হচ্ছে তরতাজা পায়রার ইলিশ
পায়রা নদীর তীরবর্তী পুরাকাটা ফেরিঘাট সংলগ্ন রাস্তার পাশে বসে ইলিশ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বরগুনার পায়রা নদী থেকে ধরে আনা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে পাড়ে বসেই। তাজা ও দাম নাগালে থাকায় আগ্রহ নিয়ে কিনছেন ক্রেতারা। এমন দৃশ্য দেখা গেছে সদরের পুরাকাটা এলাকায়। পায়রা নদীর তীরবর্তী পুরাকাটা ফেরিঘাট সংলগ্ন রাস্তার পাশে বসে ইলিশ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

স্থানীয় জেলেরা জানান, জোয়ারের সময় পায়রা নদীতে জাল ফেলেন তারা। সন্ধ্যায় জাল তুলে ইলিশগুলো আলাদা করেন। এরপর ছোট ছোট দোকান সাজিয়ে ফেরি টার্মিনালের পাশে বসেই রাত পর্যন্ত চলে ইলিশ বিক্রি। বিভিন্ন জায়গা থেকে বাসে করে আসা যাত্রীরা এবং স্থানীয় অনেকেই মাছ কেনার জন্য ভিড় করেন এখানে।

পায়রা নদীর তীরবর্তী পুরাকাটা ফেরিঘাট সংলগ্ন রাস্তার পাশে বসে ইলিশ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

ক্রেতা আল-আমিন বলেন, বরিশাল থেকে বরগুনা ফিরছি। রাস্তার পাশে এমন তাজা মাছ দেখে গাড়ি থামালাম। এখন কয়েক কেজি কিনবো। ইলিশগুলো বেড়ি বড়ও না।আবার জাটকাও না। প্রতি কেজি ইলিশের দাম চেয়েছে ৪০০ টাকা।

আরেক ক্রেতা হাসানুল বান্নাহ বলেন, কাল আমাদের একটা বিয়ের অনুষ্ঠান আছে। তাই মাছ নেয়ার জন্য বিকেল থেকে অপেক্ষা করছি। কিছুক্ষণ আগে জেলেরা মাছ নিয়ে ফিরেছে। মাছগুলো একদম ফ্রেশ। বেছে বেছে বড় সাইজের ১৩ কেজি মাছ নিয়েছি। কেজি প্রতি ৫২০ টাকা ধরা হয়েছে।

বিক্রেতা হানিফ মাঝি বলেন, নদীতে তেমন মাছ নেই, যে পরিমাণে পাই তা নিয়ে বাজার পর্যন্ত গেলে পোষায় না। তাই মাছ ধরে সরাসরি এখানে বসেই বিক্রি করি।

পায়রা নদীর তীরবর্তী পুরাকাটা ফেরিঘাট সংলগ্ন রাস্তার পাশে বসে ইলিশ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

আরেক বিক্রেতা রহমান ফকির বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন আসে এখানে। তাজা মাছের চাহিদা থাকায় ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। তবে নদীতে মাছ তুলনামূলক কম। এতো অবরোধ- নিষেধাজ্ঞার পরেও ইলিশ পাইনা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, বরগুনার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে পায়রা একটি। এখানে কয়েক হাজার জেলে মাছ ধরছে। তবে সব জায়গার মতো পায়রায়ও ইলিশ কম পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশ রক্ষায় জেলেদের অসচেতনতার জন্য ইলিশের দেখা মিলছে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!