অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা খেয়ে বিয়ের ১০ দিনেই নববধূর আত্মহত্যা
চুয়াডাঙ্গায় নিজ বাড়িতে অন্তরঙ্গ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে শাহ আলমের সঙ্গে অন্তরা খাতুনের বিয়ে দেন স্থানীয়রা। পরে স্বামীর পরিবারের কটূকথা সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন সেই নববধূ। সোমবার দুপুর বিয়ের মাত্র ১০ দিনের মাথায় ওই নববধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নিহত অন্তরা খাতুন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুরনগর কলোনিপাড়ার কলিম উদ্দিনের মেয়ে। গত ১০ দিন আগে একই গ্রামের আশাদুল হক আশার ছেলে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয়।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবেশী যুবক শাহ আলমের সঙ্গে অন্তরা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২২ মে অন্তরাকে ডেকে নিয়ে নিজ বাড়িতে অন্তরঙ্গ পরিবেশে অবস্থান করছিল শাহ আলম। এ সময় এলাকার লোকজন তাদের আটক করে এবং ৯০ হাজার টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে দেয়।
এদিকে শাহ আলমের পরিবার বিষয়টি মেনে না নিয়ে অন্তরাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে। সোমবার সকালে অন্তরা বাবার বাড়িতে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় অন্তরাকে পাওয়া যায়। এ সময় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ জানান, বিয়ের কয়েক দিনের মাথায় একটা মেয়ের আত্মহত্যা রহস্যজনক মনে হচ্ছে। এ কারণে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।