ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শরণখোলায় বাঁধ ভেঙে সাত গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি তিন হাজার পরিবার

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:১০, ২৬ মে ২০২১
শরণখোলায় বাঁধ ভেঙে সাত গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি তিন হাজার পরিবার
শরণখোলায় বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী ৩৫/১ পোল্ডারের রিং-বাঁধ ভেঙে কমপক্ষে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাগর উত্তাল হওয়ায় জোয়ারের চাপে উপকূলীয় অঞ্চল বাগেরহাটের শরণখোলায় বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী ৩৫/১ পোল্ডারের রিং-বাঁধ ভেঙে কমপক্ষে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে বাঁধের ভেতরে ও বাইরে থাকা প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। যার ফলে খাবারসহ বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার থেকে বলেশ্বর নদী সংলগ্ন এলাকায় পানি বাড়তে শুরু করে এবংবুধবার সকাল থেকে উপজেলা জুড়ে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি সহ ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি নদীর পানি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে একই দিন দুপুরে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, তেরাবেকা ও চালিতাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা মো.  রোকা তালুকদার, মো. গনি হাওলাদার ও  মো. মানিক তালুকদারের বাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে রিং-বাঁধ ভেঙে যায়। এতে উপজেলার বগী, খুরিয়াখালী, তেরাবেকা , চালিতাবুনিয়া, চাল-রায়েন্দা, সোনাতলা, রসুলপুর , রাজৈর  বান্দাঘাটা ও রায়েন্দা  বাজারসহ ৬-৭টি গ্রামের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বাঁধের উভয়পাশের প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।

উপজেলার শরণখোলা বাজারের ব্যাবসায়ী মো. জালাল আহম্মেদ বলেন, জোয়ারের চাপে হঠাৎ করে রিং-বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে তার তিনটি মৎস্য ঘের চোখের সামনেই মুহূর্তে তলিয়ে যায়। এতে তার কয়েক লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া প্লাবিত হওয়া পরিবারগুলোতে রান্না করার কোনো সুযোগ না থাকায় খাবারসহ বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট শুরু হয়েছে।  পাশাপাশি  ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা তাদের গবাদিপশুগুলো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।  

এ ব্যাপারে ইউএনও সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকে পড়ায় জনসাধারণের ক্ষতি হয়েছে। এরই মধ্যে ওই এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তাদের মাঝে কিছু খাদ্য সহয়তা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাঁধের উভয়পাশে সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএইচ
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!