ঢাকা,  সোমবার   ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও ২১ হাজার টাকা বিল!

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:২০, ৩ ডিসেম্বর ২০২০
বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও ২১ হাজার টাকা বিল!
বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও এক ব্যক্তির নামে পল্লীবিদ্যুতের বিল এসেছে ২১ হাজার ৪শ ৮৯ টাকা ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে দুই বছর ধরে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও এক ব্যক্তির নামে পল্লীবিদ্যুতের বিল এসেছে ২১ হাজার ৪শ ৮৯ টাকা। ফলে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

উপজেলার আদারভিটা বাজারে ছালাম সরকার রাইস মিল মালিক রাফিউল ইসলাম জানান, দুই বছর ধরে তার রাইস মিলটি চালানো হচ্ছে না। এ দুই বছর ধরে তিনি সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছেন। হঠাৎ করে অক্টোবর মাসে তার বিদ্যুৎ বিল আসে ২১ হাজার ৪শ ৮৯ টাকা।  

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের বিলিং সহযোগী সালমা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, লাইনম্যানরা যেভাবে রিডিং এনে দেয় সেভাবেই বিল তৈরি করা হয়। পরে তিনি বিলটি সংশোধন করে ১৪৫৬ টাকা করেন। অপরদিকে উপজেলার হেমবাবাড়ি গ্রামে সেলিম নামে এক কৃষকের পল্লী বিদ্যুতের সেচ সংযোগে অক্টোবর মাসে ৪০ হাজার টাকার ভৌতিক বিল উঠে।

Advertisement

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন গ্রাহকদের কাছ থেকে এ ধরণের ভুয়া বিল আদায় করে পরে তা সংশোধন করে বাড়তি টাকা নিজেরাই পকেটে ভরছেন।

পল্লীবিদ্যুৎ মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন বলেন, ভুলবসত হিসাব নম্বরের স্থলে রিডিং নম্বর বসানোর কারণে ছালাম সরকার রাইস মিলের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল এসেছিলো। বিলটি সংশোধন করা হয়েছে। 

গ্রাহকদের কাছ থেকে ভুয়া বিল আদায়ের পর তা সংশোধন করে অতিরিক্ত টাকা নিজেদের পকেটে ভরার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরণের সুযোগ নেই। অতিরিক্ত বিল আদায় হলেও তা গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টেই জমা থাকে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!