ঢাকা,  রোববার   ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অন্তঃসত্ত্বা নন, তবু মিথ্যা রিপোর্ট দেখিয়ে ফাঁসালেন প্রতিবেশীকে

মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:২৮, ৯ নভেম্বর ২০২০
অন্তঃসত্ত্বা নন, তবু মিথ্যা রিপোর্ট দেখিয়ে ফাঁসালেন প্রতিবেশীকে
বাবু চৌধুরী হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী অন্তঃসত্ত্বা নন শিল্পী বেগম

মাদারীপুর শহরে অন্তঃসত্ত্বা না হয়েও শিল্পী বেগম এক নারীকে অংঃসত্ত্বা বানিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি সেতারা জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। সেই রিপোর্ট দেখিয়ে প্রতিবেশি মাসুদ আকনের বিরুদ্ধে সন্তান নষ্টের মিথ্যা মামলা করেছেন শিল্পী বেগম।

এ ঘটনায় সেতারা জেনারেল হাসপাতাল টাকার বিনিময়ে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে জানিয়ে সিভিল সার্জনের কাছে বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী মাসুদ আকন।

২৯ অক্টোবর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো লিখিত অভিযোগে মাসুদ আকন জানান, সদর উপজেলার হাজরাপুরের শিল্পী বেগম ২৮ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর শহরের বাবু চৌধুরী জেনারেল হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম ও প্রেগনেন্সি টেস্ট করান। এতে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এর দুইদিন পর শিল্পী বেগমকে অন্তঃসত্ত্বা উল্লেখ করে আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেন শহরের সেতারা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক এনামুল হক। দ্বিতীয় রিপোর্ট দেখিয়ে মাসুদ আকনের বিরুদ্ধে সন্তান নষ্টের মামলা করেন শিল্পী বেগম।

Advertisement

বাবু চৌধুরী জেনারেল হাসপাতাল ও সেতারা জেনারেল হাসপাতালের আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট

মাসুদ আকন বলেন, শিল্পী বেগমের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। সে কারণেই সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। অন্তঃসত্ত্বা না হয়েও সে ডা. এনামুল হককে টাকা দিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট বানিয়েছে। এরপর আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এখন আমি ও আমার পরিবার হয়রানির শিকার হচ্ছি।

সেতারা জেনারেল হাসপাতালের এমডি সিরু চৌধুরী বলেন, দুই হাসপাতালের রিপোর্ট দুই রকম কেন সেটা চিকিৎসক ভালো বলতে পারবেন। আমি কয়েকবার ডা. এনামুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে অভিযোগ দেয়ার পর থেকে তিনি হাসপাতালে আসেননি।

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সফিকুল ইসলাম বলেন, দুটি রিপোর্টের মধ্যে যেকোনো একটি ভুল। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!