বাল্যবিয়ের যন্ত্রণা সইতে পারল না পিংকী
বাল্যবিয়ের যন্ত্রণা সইতে পারল না ১৪ বছরের কিশোরী পিংকী। বিয়ের দুইদিন না যেতেই তাকে বেছে নিতে হলো আত্মহত্যার পথ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউপির বসুনিয়া পাড়া গ্রামের নানাবাড়ি থেকে পিংকীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পিংকি একই ইউপির বোর্ড অফিসপাড়া গ্রামের কৃষক রাজু মিয়ার মেয়ে ও চাঁদখানা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বিকেলে পুলিশ পিংকির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলার মর্গে পাঠায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই দিন আগে পিংকির সঙ্গে বিয়ে হয় নীলফামারী সদরের চাপড়া সরনজামী ইউপির লতিফ চাপড়া গ্রামের সাঈদুল ইসলামের ২৫ বছরের ছেলে লাজু মিয়ার। লাজু মিয়া উত্তরা ইউপিজেডের একটি কারখানার শ্রমিক।
এলাকাবাসী জানায়, বাল্যবিয়েতে মত ছিল না পিংকির। বিয়ে হলেও পিংকিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হয়নি। তাই সে বাবার বাড়ি ছেড়ে নানা শাহাদৎ হোসেনের বাড়িতে আসে। বুধবার লাজু মিয়া শ্বশুরবাড়িতে গেলে তাকেও পাঠিয়ে দেয়া হয় পিংকির নানার বাড়িতে। সেখানে তার স্বামী রাতে অবস্থান করে। এ অবস্থায় সবার অগোচরে সে ঘরের ভেতর ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, পিংকির আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলার মর্গে পাঠানো হয়েছে।