ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

হলুদ তরমুজ চাষে ব্যাপক সফলতা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৫২, ২৮ আগস্ট ২০২০
হলুদ তরমুজ চাষে ব্যাপক সফলতা
হলুদ রংয়ের তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন জাতের হলুদ রংয়ের তরমুজ চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন চাষি এনামুল হক।

উপজেলার উদয়পুর ইউপির বহুতিদর্গাপাড়ার এনামুল হক বন্যামুক্ত ও উঁচু জমিতে বিদেশি গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। 
 
ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল তরমুজ চাষের উপযোগী হলেও অসময়ে বিদেশি তরমুজ চাষ করে সফল কৃষকের খাতায় নাম লিখিয়েছেন এনামুল হক। 

নিজের চেষ্টা আর শ্রমের ফসল হিসেবে কয়েকশ’ তরমুজ এখন মাচায় মাচায় শোভা পাচ্ছে। বিষ ও ফরমালিনমুক্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হলুদ রংয়ের তরমুজগুলো দেখতে আকর্ষণীয়, খেতে সু-স্বাদু ও চাহিদা বেশি থাকায় নতুন জাতের এই তরমুজ দেখতে  ভিড় করছেন অনেকেই।

চাষি এনামুল হক বলেন, ৩৩ শতক জমি বর্গা নিয়ে ২২টি বেড করে মাটির সঠিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে মালচিং পেপার দিয়ে ঢেকে রাখি। এরপর ১৮ ইঞ্চি পর পর তরমুজের বীজ রোপণ করি। বীজ রোপণের ৩৫ দিনের মধ্যে গাছ মাচায় উঠে যায়। ৪০ দিনের মধ্যে গাছে প্রচুর ফুল ও কুড়ি আসে। তারপর ৭৫ দিনে পরিপক্ক হয়ে মাচায় ডোগায় ডোগায় ঝুলে আছে আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের প্রায় ২ হাজার ৪০০ তরমুজ। এই তরমুজ ভেতরে লাল, রসালো আর খেতে খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু। 

তিনি আরো বলেন, বাজারে অসময়ের এই তরমুজের চাহিদাও অনেক বেশি, দামও ভালো। হলুদ তরমুজ চাষে তার এই পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে আয় হবে প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জেবা বলেন,  নতুন ধরনের এই তরমুজ এলাকার কৃষকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এনামুল হকের এই সফলতার পেছনে উপজেলা কৃষি বিভাগ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে/এস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!