কিশোরীর গোপনে বিয়ে, হঠাৎ হাজির ইউএনও
ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক কিশোরীর বিয়ে হচ্ছিল গোপনে। এ খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গোপনে হাজির হন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও মো. এরশাদ উদ্দীন।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাল্যবিয়ের চেষ্টায় ভুয়া কাজিসহ কিশোরীর দুই মামাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
কিশোরী নান্দাইল পৌর সদরের দশালিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ভাগ্নী। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউপির পুরানবাড়ি গ্রামে। সে ওই গ্রামের আবেদ আলীর মেয়ে।
ওই কিশোরী বেশ কিছু দিন আগে নান্দাইল পৌর সদরের দশালিয়া গ্রামে তার মামা শফিকুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে আসে।
বৃহস্পতিবার রাতে গোপনে বিয়ে দেয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেয়ে অভিযান চালায় ইউএনও মো. এরশাদ উদ্দীন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বিয়ের নিবন্ধন করতে আসা উপজেলার লংপুর গ্রামের আ. ছোবানের ছেলে আবুল হাসেমকে নিবন্ধন বইসহ আটক করে পুলিশ।
এছাড়াও আটক করা হয় কিশোরীর দুই মামা আ. গফুরের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলামকে।
পরবর্তীতে বিয়ের নিবন্ধন করতে আসা আবুল হাসেম ভুয়া কাজি প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের, কিশোরীর দুই মামাকে পনের দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদ উদ্দীন বলেন, ছেলে পক্ষকে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। যতদূর জানতে পেরেছি উপজেলার অরণ্যপাশা গ্রামে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে আছি।