বিবাহের অদ্ভুত সব নিয়ম নীতি চালু আছে এই হ্যামার সম্প্রদায়ের মধ্যে। প্রাথমিক ভাবে এখানে পুরুষদের বিবাহের আগে একাধিক পরীক্ষা দিতে হয়, এবং প্রকাশ্যে। মনে করা হয়, এই সম্প্রদায়ের নারীরা পুরুষদের জন্য যে পরিমাণ আত্মত্যাগ করেন, পুরুষরা সেই পরিমাণ করেন না, সেই কারণে পুরুষদের একাধিক পরীক্ষা নেয়া হয়। আর সেই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে নারীরাই চাবুকের মারেন পুরুষকে।
এখানে কোনো নারীকে বিয়ে করতে হলে, সেই বিয়ের প্রস্তাব ঐ নারীকে প্রকাশ্যে গ্রাম সভায় দিতে হয়। তারপর সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে একাধিক পরীক্ষা শুরু হয় ঐ পুরুষের। পুরুষটি নারীর যোগ্য কিনা, তা বিচার করা হয়। তার অংশ হিসাবেই চাবুকের আঘাত করার রীতি চলে আসছে। ঐ জনজাতি মনে করে, এই আঘাত পুরুষকে পুরুষত্বে উন্নিত করে।
.png)
এছাড়াও পুরুষটি যে বিয়ের জন্য তৈরি, তা জন্য প্রকাশ্যে প্রমাণ দিতে হয় পুরুষটিকে। কীভাবে? ১৫টি গরু বা ষাঁড়কে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সেগুলোকে এক লাফে টপকে যেতে হয়, তা হলেই ধরে নেয়া হয় সেই পুরুষ বিবাহে প্রস্তুত।
আর যদি কেউ সেটি না পারে, তখনই লজ্জার বেড়া ভেঙে সেই পুরুষটিকে সবার সামনে ক্রমাগত চাবুক মারে পাণিপ্রার্থী নারী। তাতে পিঠে হয়ে যায় কাটা কাটা দাগ। এই তার শাস্তি।
সূত্র: নিউজ বাংলা ১৮