নিহত হোসেন একই এলাকার আবুল হোসনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, নুর উদ্দিনের ছেলেরা ফুটবল খেলছিল। এ সময় প্রতিনিয়ত বলটি হোসনের ঘরের ছাউনিতে লাগে। তাদের মাঠে গিয়ে খেলতে বলায় নুর উদ্দিনের স্ত্রী খালেদা বেগমের সঙ্গে হোসেনের স্ত্রী মরিয়মের কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে নুরুদ্দিন লাঠি নিয়ে হোসেনকে পেটাতে থাকেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি মারা যান।
.png)
টেকনাফ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু হারেস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।