শনিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর তাদের ঢাকা উদ্যান ও আশপাশের এলাকা থেকে আটক করার পর সেনাবাহিনীর বছিলা ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাতে মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি সুপার শপ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
.png)
বছিলা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর বারী জানান, সম্প্রতি মোহাম্মদপুরে মিনি সুপার শপে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ২ জনকে এবং ঢাকা উদ্যান ও বছিলায় ছিনতাই ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের আটক করা হয়েছে। অভিযান চলমান আছে, অভিযান শেষে যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যাব-২ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ইতোমধ্যে মিনি সুপার শপে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার প্রধান আসামি মো. আসলাম ওরফে রুবেল ওরফে আলমকে (৩২) আটক করা হয়েছে। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
এদিকে, শনিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের ভেতর দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক কিশোরসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতরা হলেন- আলাউদ্দিন আমিন, শফিক ও সাজ্জেন ওরফে রহমত।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে শফিক এবং সাজ্জেনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আহত কিশোর রহমতের বাবা শমসের আলী জানান, বিকেলে ক্যাম্পের ভেতরে ‘চুয়া সেলিম’ ও ‘বুনিয়া সোহেল’ নামে দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষ চলছিল। ঐ সময় সাজ্জেন খাবার পানি নিয়ে আসতে বাসা থেকে পানির পাম্পে যায়। পানি নিয়ে ফেরার সময় ৮ নম্বর সেক্টরে সে গুলিবিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে ঢামেকে নেয়া হয়।
তিনি আরো জানান, মাদক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে জেনেভা ক্যাম্পের ভেতরে ‘চুয়া সেলিম’ ও ‘বুনিয়া সোহেল’ গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্ষ চলছে।
স্থানীয়ারা জানান, বেশ কিছু দিন ধরে এই সংঘর্ষ চললেও থানা পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর শক্ত কোনো পদক্ষেপ না থাকায় দিন দিন তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি ইফতেখার হাসান বলেন, এ ঘটনায় আমরা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি।