রায়হান ২০১৬ সালে পুলিশে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি দেড় বছরে ধরে খিলক্ষেত থানায় কর্মরত ছিলেন।
জানা গেছে, স্ত্রী বিথী আক্তারকে নিয়ে খিলক্ষেত এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন রায়হান। তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরাই গ্রামে। রায়হানের বাবা আবদুস সোবাহানও পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
.png)
খিলক্ষেত থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আজিজ বলেন, রায়হান কুড়িল বিশ্বরোডের কুড়াতলী এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন। তখন একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের জন্য রায়হানের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে রাখা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি জব্দ করা হলেও ট্রাকচালক পালিয়ে গেছেন বলেও জানান এসআই আবদুল আজিজ।