বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুর, উত্তরা, আজমপুর, রাজলক্ষ্মীসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টি উপেক্ষা করেও ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের প্রতিনিধিও রয়েছেন।
.png)
সড়কে সিগন্যালের পাশাপাশিশি শিক্ষার্থীরা ফুটপাতে হাঁটা, ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার, নির্দিষ্ট স্থান থেকে গাড়িতে ওঠানামা ও গণপরিবহনগুলো নির্দিষ্ট স্থান থামার নির্দেশনা দিচ্ছেন। নিয়ম মেনে চলতে মানুষ ও গাড়িচালকদের বাধ্য করছেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তারা মানুষকে নিয়ম-শৃঙ্খলা শেখাচ্ছেন। তাদের এ কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাচ্ছে সবাই।
অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংঘঠনগুলোও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করতে দেখা গেছে। সাধারণ মানুষ অনেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানি, বিস্কুট, মাথার ক্যাপ, দুপুরের লাঞ্চ নিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
আজমপুরে সড়কে দায়িত্বরত নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মনিকা বলেন, দেশটাতো আমাদেরই, কাজটাও তাই আমাদেরই করতে হবে। আমারা চাই যেন সব ঠিকঠাকভাবে হয়, সুন্দরভাবে চলে; এ জন্য আমরা কাজে নেমেছি। পুলিশ ভাইরা যতদিন না ফিরছেন, ততোদিন আমরা এ দায়িত্ব পালন করে যাবো। সাধারণ মানুষ আমাদের কাজে যথেষ্ট সাহায্য করছে।
রাজলক্ষ্মী সড়কে পথচারী এক সরকারি কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, এটা একটা সুন্দর কাজ। শিক্ষার্থীদের এমন কাজকে সাধুবাদ জানাই।
শিক্ষার্থীদের এসব ভূমিকায় খুশি পথচারী ও গণপরিবহনের চালকরাও। তারা জানান, পুলিশ নেই। শিক্ষার্থীরা কাজ করে যাচ্ছে। খুব বেশি যানজট তৈরি হচ্ছে না।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে সরকারের পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্ব-স্ব কর্মস্থলে যোগদান করার জন্য আহ্বান জানিয়েন নবনিযুক্ত আইজিপি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সব পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করবেন বলে জানা গেছে।