এর আগে বিকেলে সাভারের আশুলিয়ার জিরানী এলাকায় ডরিন টেক্সটাইল, সিনহা টেক্সটাইল, বেক্সিমকো টেক্সটাইল, জিরাবো এলাকার হামিম গ্রুপের পোশাক কারখানার গোডাউনে এবং বেঙ্গল গ্রুপের একটি কারখানায় দুষ্কৃতিকারীরা আগুন দেয়।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, রোববার বিকেল থেকে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দুষ্কৃতিকারীরারা আগুন দেয়। এ সময় কয়েকটি পোশাক কারখানা, মার্কেট, বাস ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর আসে।
.png)
কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আগুন নেভানোর জন্য গেলেও আন্দোলকারীরা বাধা দেয়। এ সময় সিনহা টেক্সটাইল কারখানার আগুন নেভানোর জন্য গেলে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীকে মারধর করে।
এরপরে আর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোথাও যেতে পারেনি। তবে রাত সাড়ে ১১টার পর বেঙ্গল গ্রুপের কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
এ বিষয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার প্রণব চৌধুরী বলেন, এখনো আন্দোলনকারীরা সড়কে রয়েছে। এর আগে আন্দোলনকারীরা আমাদের ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
তিনি আরো বলেন, দুইবারের চেষ্টায় বেঙ্গল গ্রুপের কারখানায় আমাদের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট যেতে পেরেছে। এ ছাড়াও সিনহা টেক্সটাইল কারখানায় এখনো আগুন জ্বলছে।
প্রণব চৌধুরী যোগ করেন, হামিম গ্রুপের কারখানার গোডাউনের আগুন তারা নিজেদের চেষ্টা করেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ডরিন এবং বেক্সিমকো টেক্সটাইল তারাও নিজস্ব চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে।