শুক্রবার সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ১০৭ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোরে অবস্থান করেছে ঢাকা।
তালিকায় উগান্ডার কামপালা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনশাসা ও পাকিস্তানের লাহোর যথাক্রমে ১৯৪, ১৮০ ও ১৫৫ একিউআই স্কোর নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখল করেছে।
.png)
প্রসঙ্গত, একিউআই স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ মনে করা হয়।
এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
ঢাকার বায়ুদূষণ সমস্যা দীর্ঘদিনের। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।
২০১৯ সালের মার্চে এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে চিহ্নিত করে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংক।
বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায় বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও)।