ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ রাজধানী ]

পশুর হাটে নগদ টাকা ছাড়াই কেনা যাবে গরু 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:০১, ১৩ জুন ২০২৪
পশুর হাটে নগদ টাকা ছাড়াই কেনা যাবে গরু 
ফাইল ফটো

এবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি পশুর হাটে থাকছে ডিজিটাল লেনদেন পদ্ধতি। এর মাধ্যমে নগদ টাকা বহন করা ছাড়াই কেনা যাবে গরু।

এছাড়া বিক্রেতারও গরু বিক্রির টাকা ক্যাশ হাতে না নিয়ে, সরাসরি তাদের ব্যাংক বা ডিজিটাল লেনদেনের যেকোনো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিতে পারবেন।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) কোরাবনির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার এই উদ্যোগ নিয়েছে। 

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল লেনদেনের ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি, নকল বা ছেঁড়া/ফাটা নোট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান হবে। ‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে এবার বসেছে ডিজিটাল পশুর হাট।

এছাড়া এর মাধ্যমে ছিনতাই, মলম পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষা পাবে ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ২০২২ সালে স্মার্ট ডিএনসিসির কোরবানির হাটে পাইলট কার্যক্রমে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছিল। ২০২৩ সালে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ বছর লেনদেন আরো বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবার ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার আওতায় থাকছে ৬টি কোরবানির পশুর হাট। হাটগুলো হলো- উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নং সেক্টর তৎসংলগ্ন পর্যন্ত খালি জায়গায় কোরবানি পশুর অস্থায়ী হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট তৎসংলগ্ন পর্যন্ত খালি জায়গায় কোরবানি পশুর অস্থায়ী হাট, মিরপুর সেকশন-০৬, ওয়ার্ড নং-০৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গায়, ভাটারা সুতিভোলা খাল সংলগ্ন খালি জায়গায়  (ভাটারা সুতিভোলা), মিরপুর গাবতলী গবাদি পশুর হাট (স্থায়ী), মোহাম্মদপুর বসিলার ৪০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন খালি জায়গা।

এদিকে ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, এবি ব্যাংক পিএলসি, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মাস্টারকার্ড, অ্যামেক্স, ভিসা,বিকাশ, নগদ, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ)।

এ বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে ক্যাশলেস ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত হবে। এর ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি, নকল বা ছেঁড়া,ফাটা নোট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান হবে। ছিনতাই, মলম পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষা পাবে ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!