এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বসেছে ৯টি অস্থায়ী হাট। এছাড়া গাবতলীতে বসেছে স্থায়ী হাট। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় বসেছে ১১টি অস্থায়ী হাট। এছাড়া সারুলিয়া বসেছে স্থায়ী পশুর হাট।
মঙ্গলবার সরেজমিন গাবতলী গরুর স্থায়ী হাট ঘুরে দেখা যায়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও কুষ্টিয়াসহ দেশের নানান প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গাবতলীতে গরু আসছে। তবে বেচাকেনা তেমন শুরু না হলেও ক্রেতাদের আনাগোনা রয়েছে। ক্রেতাদের অনেককে দর কষাকষি করতেও দেখা গেছে।
.png)
বেশ কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিক্রেতারা আকাশচুম্বী দাম হাঁকাচ্ছেন। যার যেমন ইচ্ছে দাম চাচ্ছেন। ৮০ হাজার টাকার কমে কোনো গরু মিলছে না।
অন্যদিকে ব্যাপারীরা বলছেন, গরুর খাবারের দাম সম্প্রতি বেশ বেড়েছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একটা গরু ঢাকায় আনতে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচও হয়। তাই গরুর দাম একটু বেশিই। গরুর দামের বিষয়ে ক্রেতাদের কোনো ধারণা নেই।
টঙ্গী থেকে গাবতলী হাটে গরু কিনতে এসেছেন ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, ব্যাপারীরা গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন। সকালে হাটে এসেছি, এখন সন্ধ্যা হবে হবে। বাধ্য হয়ে দাম বেশি দিয়েই এক লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনতে হলো। দাম দেড় লাখ হলে ভালো হতো।
বেশ কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে ক্রেতারা আসছেন মূলত গরুর দাম জানতে। এখনো কেনার প্রতি তারা ততটা আগ্রহী নন। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি জাতের মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যাপারীরা।