জানা যায়, ভবনটির সামনে থেকে ছোট মনে হলেও পেছনে অনেক লম্বা। পুরো ছয়তলা ভবনের সামনের অংশ ব্যবহার করা হচ্ছিল কমার্শিয়াল হিসেবে। আর ভবনের পেছনের অংশ ব্যবহার করা হচ্ছিল আবাসিক হিসেবে। দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগলেও ফায়ার সার্ভিসকে ভেতরে ঢোকার পথ খুঁজতেই অনেক সময় পেরিয়ে যায়।
ভবনটির কমার্শিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তাকে খুঁজেও ঘটনাস্থলে পায়নি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় পুলিশ। পরে বাধ্য হয়ে ভবনের একটি অংশ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
.png)
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, ভবনটির দ্বিতীয় তলায় আগুন লেগেছিলো। এটি মূলতঃ একটি কার্পেটের গোডাউন। রাবারের যে কার্পেটগুলো আছে, সেগুলো এখানে ভরপুর মজুদ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এখানে কোনো ভেন্টিলেশন সিস্টেম নেই। আমরা দুই পাশ দিয়ে দেওয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছি। আগুনের সূত্র বের করতেই সময় লেগেছে। কারণ ভেতরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা ছিল না। এ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে।