বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থা চিকিৎসাধীন সবার। এ ঘটনার পর সামনে এসেছে রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্ন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগরীতে প্রায় চার হাজার রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এর অধিকাংশরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিপজ্জনক। এক শতাংশের কম রেস্টুরেন্টে আছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
.png)
বেইলি রোডের ভবনটিতে সিঁড়ি ছিল একটি। জরুরি অবস্থায় ওপর থেকে নামার জন্য ছিল না বিকল্প সিঁড়ি। যে কারণে ঝরে গেল ৪৬টি প্রাণ।
নগরবাসীকেও হোটেল-রেস্টুরেন্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
বৃহস্পতিবার রাতে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুন লাগে। জানা গেছে, বেইলি রোডের ভবনটিতে সিঁড়ি ছিল একটি। জরুরি অবস্থায় ওপর থেকে নামার জন্য ছিল না বিকল্প সিঁড়ি। যে কারণে ঝরে গেল ৪৬টি প্রাণ।
নগরীতে প্রায় চার হাজার রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এর অধিকাংশরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিপজ্জনক। এক শতাংশের কম রেস্টুরেন্টে আছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
একদিকে রেস্টুরেন্টগুলোর চাপা সিঁড়ি, বিকল্প কোনো সিঁড়ি না থাকলেও হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রয়েছে। আর গ্যাস সিলিন্ডার ভবনের বাইরে রাখার বিষয়ে জোরালো দাবি করলেও দেখাতে পারেনি বেশিরভাগ রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ। নেই অ্যালার্ম সিস্টেমও। শুধু অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের ওপরই ভরসা তাদের।
নগরবাসীকেও হোটেল-রেস্টুরেন্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
ফায়ার সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, রাজধানীর প্রায় সব রেস্টুরেন্টের অবস্থাই বিপজ্জনক। ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত লাভের লোভেই ঘটছে এমন দুর্ঘটনা, যার দায় এড়াতে পারেন না কেউ।