নওরতন কলোনির নিরাপত্তাকর্মী মানিক গণমাধ্যমকে বলেন, শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে থাকা পানি দিয়ে আগুন নেভানো হচ্ছিল। পরে পাইপ দিয়ে পুকুর থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
নওরতন কলোনির বাসিন্দা সিয়াম আহমেদ বলেন, আমরা ঢাকা শহরের সব পুকুর-জলাশয় ভরাট করে ফেলছি। অথচ এ পুকুরটা না থাকলে আশপাশের অনেক ভবনেই আগুন ধরে যেতে পারত। অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটত।
.png)
ইলেকট্রনিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইসাব) সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি গণমাধ্যমকে বলেন, এ ভবনে কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যান ছিল না। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল না। যদি নওরতন কলোনির পেছনের পুকুর না থাকত, তাহলে আরো বেশি মানুষের প্রাণ যেত।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখনো শনাক্ত হয়নি বাকি পাঁচজনের মরদেহ। তবে দুটি মরদেহ নিজেদের স্বজন বলে দাবি করছেন চারজন।
এর আগে, রাজধানীর বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিট কাজ করেছিল। পানি ছিটানো হয়েছিল হেলিকপ্টারেও। দীর্ঘ ৭৫ ঘণ্টা পর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে দেরি হয় মূলত পানির স্বল্পতার কারণে। সে সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুর থেকে পানির ব্যবস্থা করে।
রাজধানীর নিউ মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে একই অবস্থা হয়। সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ৩০ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। নিউ মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণেও ফায়ার সার্ভিসকে পানির স্বল্পতায় পড়তে হয়েছিল।