ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

আগুন সম্পর্কে রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন কাচ্চি ভাই’র ম্যানেজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪০, ১ মার্চ ২০২৪
আগুন সম্পর্কে রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন কাচ্চি ভাই’র ম্যানেজার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল একটি ভবনে বৃহস্পতিবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরো ২২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বেইলে রোডের সাততলা বিশিষ্ট ভবনে আগুন লাগে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া ওপরের তলাগুলোতেও রয়েছে খাবারের দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকে। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান।

বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই শাখার ম্যানেজার বলেন, রাত ৯টা ৫০ মিনিটের সময় আমি দ্বিতীয় তলা থেকে গ্লাসের ফাঁক দিয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি ধোঁয়া বের হচ্ছে। তখন আমি আগুনের ভেতর দিয়ে নিচে বের হইছি। তারপর সবাইকে সতর্ক করে বলি ভবনে আগুন লাগছে। সবাই নিচে নেমে আসুন। তারপর আমার স্টাফদের বলি এক্সটিংগুইশার নিচে ফালাও। আমি নিজে এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছি। আসলে যে আগুন লেগেছে তা এক্সটিংগুইশার দিয়ে নেভানো সম্ভব হয়নি।

Advertisement

তিনি বলেন, ঐখানে চুমুকের কিচেন ছিল। বের হয়ে দেখি চুমুকের পুরোটাতেই আগুন ধরে গেছে। তারপর ফায়ার ব্রিগেড আসছে। তখন আমি আগুনের ভেতর দিয়ে বের হয়েছি। আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে তা আমি বলতে পারব না। কারণ, আমি দুইতলা থেকে আগুন দেখে নিচে আসছি। আমার দুইজন স্টাফ মারা গেছে। একজনের নাম কামরুল হাসান রকি, তিনি কাচ্চি ভাই’র ক্যাশিয়ার। আরেকজন হলো জিহাদ, সে হলো সার্ভিস ম্যান। আমি যখন সবাইকে ডাকি তখন সবাই ভয়ে উপরে ওঠে যায়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটি প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ক্রেনের সাহায্যে ভবনের সপ্তম তলা ও ছাদে আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিদের নামিয়ে আনতে থাকেন তারা। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: রাজধানী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!