সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক।
গ্রেফতার হওয়া দম্পতি হলেন- ফারুক ও রাণী আক্তার। তাদের কাছে সোনার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বললে তারা কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে এই দম্পতির বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
.png)
পুলিশ সুপার জিয়াউল হক জানান, বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনালের সামনে আসামি ফারুকের প্যান্টের ডান ও বাম পকেট থেকে সাদা টিস্যু দিয়ে মোড়ানো ৬টি সোনার চেইন, ৯টি চুড়ি ও ২টি হারসহ মোট ৭৯৬ গ্রাম সোনার অলংকার পাওয়া যায়।
জিয়াউল হক আরো জানান, অপর আসামি রাণী আক্তারের কাছে থাকা একটি লেডিস ব্যাগের ভেতর থেকে সাদা টিস্যু মোড়ানো সোনার ৬০টি চুড়ি, ৯টি সোনার আংটি, ৫টি কানের দুল, ১টি ব্রেসলেট, ৫টি গলার হার, ৪টি লকেট ও ৩টি চেইন পাওয়া যায়। জব্দকৃত এসব সোনার মোট ওজন ৮০১ গ্রাম ও বাজারমূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সোনা চোরাচালান করে আসছিলেন এবং সোনা চোরাচালান দলের সক্রিয় সদস্য। এ ছাড়া সোনাগুলো তারা এমদাদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন। এই সোনাগুলো সোলাইমান নামের একজন সৌদিপ্রবাসী সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশে পাঠান। এরপর এই সোনাগুলো এমদাদের কাছে আসে আর এমদাদ আসামিদের কাছে দিয়েছেন।