বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতকে(ঢামেক) নিয়ে আসা তার বন্ধু হাসান জানান, আজ রাতে মুরগি চুরির বিষয় নিয়ে হাসনাবাদ আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে একটি সালিশে বসে। সালিশিতে তার এক বন্ধু নাজমুল(২০) তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়ে নাজমুল খিপ্ত হয়ে আরিফের বুকের মাঝে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
নিহতের বাবা মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য আমি তাকে গাড়ির মেকানিকের কাজ শেখার জন্য গাড়ির ওয়ার্কশপে ভর্তি করেছি। রাতে আমার বড় ছেলে আমাকে মুঠোফোনে জানায় আরিফকে কে বা কারা ছুরিকাঘাত করেছে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেছে। আমি মেডিকেলে এসে আমার ছেলের লাশ দেখতে পাই।
তিনি আরো বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার মনসুরগঞ্জ গ্রামে। বর্তমানে জুরাইন আলমবাগ এলাকার ঢাকা হোটেলের পাশে একটি ভাড়া বাসায় মা বাবার সাথে থাকতো। তারা তিন ভাই দুই বোন।