আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, এটা অতি ভারী বৃষ্টিপাত। ৮৯ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টি হলে আমরা সেটাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত বলে থাকি। মূলত লঘুচাপের প্রভাব ও মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় এরকম বৃষ্টি হচ্ছে। এত বেশি পরিমাণে বৃষ্টি না হলেও শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টি থাকা সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার থেকে বৃষ্টি কমে আসবে।
ঘন ঘন বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বর্ষাকালে আমাদের এখানে থাকে পূবালী বাতাস। বর্ষা শুরুর আগে বা শেষের দিকে থাকে পশ্চিমা বাতাস। পশ্চিমা বাতাসে বজ্রপাত বেশি হয়। বর্ষাকাল এখন যেহেতু শেষের দিকে তাই পশ্চিমা বাতাস আসার চেষ্টা করছে। এই সময়ে কিছু পশ্চিমা বাতাস ঢোকে আবার বের হয়ে যায়। যেদিন স্থায়ীভাবে পশ্চিমা বাতাস ঢুকে যাবে সেদিন বর্ষাকাল বিদায় নেবে। গত রাতে পশ্চিমা বাতাসের উপস্থিতি থাকার কারণে বজ্রপাত বেশি হয়েছে। আগামী দুই দিনের বৃষ্টিতেও এরকম বজ্রপাত থাকতে পারে।
.png)