শিশুর বাবা আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার সময় শিশুটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরো জানান, ঘটনার সময় জারির মা জোসনা বেগম বাসায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় সবার চোখের আড়ালে জারির হামাগুড়ি দিয়ে বাথরুমে চলে যায়। সেখানে থাকা পানি ভরা বালতির মধ্যে পড়ে যায়। টের পেয়ে জারির মা বালতির পানি থেকে তুলে আমাকে ফোনে জানায়। দ্রুত বাসায় গিয়ে জারিরকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।
.png)
তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের তিনগাঁও গ্রামে। বর্তমানে এলিফ্যান্ট রোডের ঐ বাসার চারতলায় ভাড়া থাকেন। তার নিজের এলিফ্যান্ট রোডে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা আছে। এ ঘটনার সময় তিনি ঐ দোকানে ছিলেন। তার তিন সন্তানের মধ্যে জারির ছোট।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।