সোমবার রাজধানীর হাজারী বাগের গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মতো তিনিও বিভিন্ন ধরনের মালা দিয়ে দোকান সাজাচ্ছেন। গরুর হাটে ঢুকলেই বাম দিকে সুন্দর করে বিভিন্ন রঙের কাগজ ও কাপড়ের তৈরি মালা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। অপেক্ষা করছেন ক্রেতাদের।
বিক্রি কেমন হচ্ছে— জানতে চাইলে তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আমি এখানে প্রতি বছর মালার দোকান দেই। মালা বানানোর সরঞ্জাম কিনে নিজেরাই হরেক রকমের মালা তৈরি করে বিক্রি করি। মালা প্রতি খরচ হয় ২০ টাকা। প্রতিটি মালা ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। বেচাবিক্রি এখনো শুরু হয়নি। সবেমাত্র ব্যাপারীরা গরু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, রাতে বিক্রি হয় বেশি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিন হাজার টাকা বিক্রির আশা করছেন তিনি। ছাব্বির আরো জানান, ঈদের আরো দুইদিন বাকি। আশা করি আগামী দুইদিনে ২০ হাজার টাকা বেচাকেনা হবে। তাতে ৫ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।
সরজমিনে দেখা যায়, গরু-ছাগল বিক্রি এখনো পুরোপুরি শুরু না হলেও কিছু কিছু ক্রেতা আগ্রহের বসে মালার দাম জিজ্ঞাসা করছেন। এছাড়া গরু কেনার পর ক্রেতারা যেন গরু সামলাতে পারে এজন্য লাঠিও বিক্রি করা হচ্ছে হাটে।
কিছু কিছু পাইকার তাদের গরু সাজাতে ভিড় জমাচ্ছেন বাজারের পাশে বসা অস্থায়ী মালার দোকানে। মালা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৮০ টাকা পর্যন্ত।
পাইকাররা বলছেন, গলায় মালা থাকলে গরুর প্রতি ক্রেতাদের আলাদা নজর থাকে। এজন্য গরু সাজাতে মালা কিনতে হচ্ছে।
রাজ্জাক নামের অপর মালা বিক্রেতা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, গরুর ব্যাপারীরা তাদের গরুর প্রতি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মালা কেনেন। এর পাশাপাশি আমরা জরি ও সরিষার তেল বিক্রি করছি। এগুলো গরুর মাথায় ও শিংয়ে লাগানো হয়। তাতে গরুর সৌন্দর্য বাড়ে। অনেকে গরু কেনার পর সাজিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। এজন্য ব্যাপারীদের পাশাপাশি গরুর ক্রেতারাও মালা কিনে থাকেন।