শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৪-এর মিডিয়া কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি আসামি সোহাগের প্রতিবেশী ছিল। শিশুটির বাবা রিকশা চালাতেন, মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। ঘটনার দিন শিশুটির বাড়িতে গিয়ে একা পেয়ে দোকান থেকে খাবার কিনে দেওয়ার লোভ দেখায় আসামি। পরে নিজ ঘরে এনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটিকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষ অবস্থায় ঘরে রেখে আসামি পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুর মা-বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় সন্তানকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
.png)
এ ঘটনায় শিশুর মা বরিশাল বিমানবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের মে মাসে সোহাগকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।