শনিবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রোববার তেজগাঁও থানার পরিদর্শক শাহ আলম গণমাধ্যমেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
শাহ আলম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জলিল নামে এক রিকশাচালকের সঙ্গে জুলেখার প্রেমের সম্পর্ক ছিল অনেক বছর ধরে। তারা দুজনেই বিবাহিত। শনিবার রাতে জামান টাওয়ারের নিরাপত্তাকর্মী সিরাজের রুমে ঢুকেন তারা। এক পর্যায়ে জলিল জুলেখাকে গলা কেটে পালিয়ে যায়।
.png)
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে শনিবার রাতে জুলেখা, নিরাপত্তাকর্মী সিরাজ ও জলিল কারওয়ানবাজার ঘোরাঘুরি করেন ও আম কিনেন। জলিল পলাতক হলেও নিরাপত্তাকর্মী সিরাজ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। বিষয়গুলো তদন্ত করা হচ্ছে।
ইনি প্রক্রিয়া শেষে জুলেখার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।