সোমবার রাতে গ্রেফতারের সময় হিমেল মুস্তাকিম নামে ঐ যুবকের কাছ থেকে একটি মোবাইলফোন জব্দ করা হয়েছে।
এদিন রাতেই সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মো. রেজাউল মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশ্ন বণ্টনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী এখন আর কোনোভাবেই প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব নয়। তারপরও ফেসবুকে প্রশ্ন ফাঁসের কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত ও বিব্রত করা হয়। এজন্য আমরা খুব সতর্ক ছিলাম। এরই মধ্যে আমরা ফেসবুকে ৪-৫টি গ্রুপ পেয়েছি, যেখানে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন পোস্ট করা হচ্ছে।
.png)
পরে আমাদের টিমের সদস্যরা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। এভাবে তার অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর তাকে সোমবার বিকেলে গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়।
রেজাউল মাসুদ জানান, আসামি হিমেলের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। তবে তিনি অনলাইন প্রতারণায় খুবই দক্ষ। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলমান।