অনেক ব্যবসায়ী ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, খণ্ড খণ্ড করে পেছনের দেয়াল ভাঙা হচ্ছে ধোঁয়া বের করে দিতে এবং পেছনের দিক দিয়ে পানি দেওয়ার জন্য।
তারা জানান, ভেতরে কাপড় পুড়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে। মার্কেটের মূল গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পেছনের দেয়াল ভাঙতে হচ্ছে।

.png)
শনিবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে নিউ সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টায়ও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি ভয়াবহ আগুন। ফায়ার সার্ভিসের ৩০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনা, নৌ, বিমান, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা। আগুনের ধোঁয়ায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন ১০ জন।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাতাসের কারণে বেশ ধোঁয়া হচ্ছে। এতে অন্ধকারে কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের সামনে তাদের আহাজারি করতে দেখা যায়।
ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ নিজেদের দোকান থেকে অক্ষত মালামাল বের করে আনার চেষ্টা করছেন। এদিকে মালামাল চুরি ঠেকাতে পাহারা দিচ্ছেন বিজিবি সদস্যরা।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, অরক্ষিত বৈদ্যুতিক লাইনের কারণে শর্ট সার্কিট থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এক লাইন থেকে একাধিক সংযোগ দেওয়ার কথা।