মঙ্গল শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. ইমদাদুল হক। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিল শান্তি ও সম্প্রীতি। শোভাযাত্রায় শান্তির প্রতীক হিসেবে কবুতরের প্রতিকৃতি তুলে ধরা হয়। এছাড়া বড় আকারের লক্ষীপ্যাঁচা, ফুল, মৌমাছি, পাতা, বাঘ ও অন্যান্য প্রতিকৃতি স্থান পায়।
মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
.png)

এ সময় ভিসি অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে রুখে দিতে সার্বক্ষণিক আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমরা শান্তি ও সম্প্রীতি চাই। বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকতে পারে তবু অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল সংগীত বিভাগের পরিবেশনায় দলীয় ও লোক সংগীত। নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে বাঙালী ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন ‘রায় বেঁশে বা লাঠিখেলা’ মঞ্চায়িত হয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সকলে আনন্দে গেয়ে উদ্বেলিত ও উৎফুল্ল হয়ে বর্ষবরণকে আনন্দবহ করে তোলে।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহিদ রফিক ভবনের নিচতলায় দিনব্যাপী ‘প্রকাশনা প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ, জার্নাল, সাময়িকী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বার্তাসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রকাশিত গ্রন্থ স্থান পায়।
এছাড়া এদিন বর্ষবরণ উপলক্ষে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখর ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এদিন বিভিন্ন অলিগলিতে তরুণদের পাঞ্জাবি ও তরুণীদের শাড়ি পরে বৈশাখী সাযে সাজতে দেখা গেছে।