উৎসবের এই দিনটি আবার সাপ্তাহিক ও একইসঙ্গে সরকারি ছুটির দিনে পড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকা একেবারেই ফাঁকা। এমনিতেই প্রকৃতিতে প্রখর রোদ, তথা প্রচণ্ড তাপদাহ বিরাজ করছে। আবার রমজান ও ছুটির দিন হওয়ায় সড়কে পরিবহনের সংখ্যাও কম।
এতকিছুর মধ্যেও থেমে নেই বাঙালির বৈশাখ উদযাপন। বাঙালির ঐতিহ্য বলে কথা। তাই প্রখর রোদ-গরম উপেক্ষা করে প্রাণের বৈশাখ উদযাপনে যেতেই হবে। তাইতো শ্যামল বর্ণের নাসরিন শিলা লাল পাড়ের সাদা শাড়ি জড়িয়ে বৈশাখি ডঙে সেজেছেন।
.png)
ধানমন্ডি ১৫-নম্বর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় নাসরিন শিলার সঙ্গে। বাসের অপেক্ষায় আধা ঘণ্টা বসে ছিলেন তিনি। প্রাণের বৈশাখ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন শিলা। কিন্তু বাসের দেখা মিলছে না।
বাস না পেলে কী করবেন- এমন প্রশ্নে নাসরিন শিলা বলেন, বাস না পেলে হেঁটেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাব। বাঙালির প্রাণের উৎসবের কাছে রোদ-বৃষ্টি-ঝড় কোনো বিষয় নয়।
শিলা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, একদিকে রমজান অন্যদিকে প্রখর রোদ। সব মিলিয়ে এবারের উৎসবে লোকসমাগম কিছুটা কম হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে রোদের তীব্রতা কমলে বিশেষ করে বিকেলের দিকে লোকসমাগম বাড়বে বলেও আশা করেন তিনি।
শাহবাগে কথা হয় রিকশাচালক আযহার মাহমুদের সঙ্গে। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, রোদের তীব্রতায় বাঁচা মুশকিল। আবার রোজা চলছে। সব মিলিয়ে অবস্থা নাকাল। তবে ইফতারের পর লোকসমাগম বাড়বে।
তিনি আরো বলেন, এবার প্রখর রোদ ও রজমানের কারণে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে অন্যবারের তুলনায় লোকজন কম বের হয়েছে।