তিনি বলেন, ঘটনা ঘটে গেলে দায়িত্ব কার ওপর দিয়ে পার পেয়ে যাবো সেটাই আমরা করি। কোনো দুর্যোগ ঘটলে সবাই সেখানে ভিড় জমায়। ফায়ার সার্ভিস, র্যাব, সিটি কর্পোরেশন, রেড ক্রিসেন্ট, রাজউক সবাই গিয়ে হাজির হয়। আসলে দুর্যোগের শুরুতে কে কাজ করবে সেটা অনেক দায়িত্বশীলরাও জানেন না। ভবন নির্মাণ কোড-১৯৯৩, ২০২০ সালে প্রস্তুত হয়েছে। ছোট ছোট দুর্যোগ মোকাবিলা না করতে পারলে তুরস্কের মতোই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।
শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) উদ্যোগে ‘ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস: প্রস্তুতি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে মেয়র তাপস এসব কথা বলেন।
.png)
মেয়র বলেন, নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়েছে বহুগুণ, মানুষ মাননিয়ন্ত্রণে অনাগ্রহী হচ্ছে। ফলে যেকোনো সমস্যায় প্রকৌশলীদেরই সমাধান দিতে হবে। সমস্যার গভীরে যেতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করা যাবে।
সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন- আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুজ্জামান, খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রনক আহসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম হাজারী, ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা মো. আবুল হোসেন, সম্পাদক কাজী খায়রুল বাসার, আইইবির পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মুনাজ আহমেদ নূর, আরবান রিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট, ইউএনডিপির পরামর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ খান, রাজউকের আরবান রিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল লতিফ হেলালী, ইঞ্জিনিয়ার অমিত কুমার চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার সৌমিত্র কুমার, ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদ হুদাসহ আইইবির বিভিন্ন বিভাগ, সেন্টারের প্রকৌশলীরা।