ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

দখলবাজ-ভূমিদস্যুদের বরদাশত করব না: মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:৩৩, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
দখলবাজ-ভূমিদস্যুদের বরদাশত করব না: মেয়র তাপস
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমাদের অনেক জমি দখল হয়ে আছে। ভূমিদস্যু, কুচক্রী মহল আমাদের জমি দখল করে খেয়েছে। জমি আমার, ভাড়া নেয় তারা! আমি থাকতে তা বরদাশত করব না। যতদিন মেয়র হিসেবে আছি ততদিন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জমি দখলকারী কোনো ভূমিদস্যুকে রাখব না।

বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন প্রাঙ্গণে ১৪নং আউটফল ও ধলপুর তেলেগু পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিবাসের বাসা বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র তাপস বলেন, আমার পরিচ্ছন্নকর্মী-কর্মচারীরা কোথায় থাকবে সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের। আমরা সেটা দেখব। ১৪ নম্বরে আউটফলে আমাদের ১৫ একর জমি আছে। অনেক অসাধু লোক সেখানে মাদকের আখড়া বানিয়ে রেখেছিল। কিছু অসাধু লোক আমাদের কর্মচারীদের কাছ থেকে সেখানে থাকার জন্য টাকা নেয়। জমি আমার, সেখানে আমার কর্মচারীরা বিনামূল্যে থাকবে। তাদের আবার অসাধু লোকদের কেন টাকা দিতে হবে? আমি যতদিন আছি এসব ভূমিদস্যু রাখব না।

Advertisement

১৪ নম্বর আউটফলে নতুন কঘর নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, সেখানে অত্যাধুনিক মোটর গ্যারেজ নির্মাণের জন্য আমাদের ১০ একর জমি লাগবে। আমাদের গাড়ি এখন রাস্তায় রাখতে হয়। রাস্তা থেকে চুরি হয়ে যায়। ঝড়, বৃষ্টি, রোদে গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যায়। সেজন্য আমরা গাড়ি রাখার অত্যাধুনিক গ্যারেজ নির্মাণ করব। সেখানে আমাদের গাড়ি, যান-যন্ত্রাংশ নিরাপদে থাকবে। বাকি ৫ একর জমিতে আমাদের কর্মী-কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা করে দেব। পানি, বিদ্যুৎ যা যা লাগবে সেগুলো আমরাই ব্যবস্থা করে দেব। এটা আমাদের দায়িত্ব। এর মাঝে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী, দালালচক্র পাঁয়তারা করতে পারবে না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর আউটফল ও ধলপুরে নির্মিত আবাসিক ভবন পলাশে ১০৯ জন, শালুকে ৯ জন এবং শাপলায় ২ জন, আবাসিক ভবন মুকুলে তেলেগু সম্প্রদায়ের ২৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাদল সরদার প্রমুখ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!