পলিথিন কারখানায় অভিযান, সাত জনের জেল
রাজধানীর চকবাজার থানার সোয়ারীঘাট এলাকার দেবীদাস লেনে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রি ও বিপণনের অপরাধে তিনটি ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়েছে র্যাব। এসময় ইমামগঞ্জের দুটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে অভিযান চালিয়ে সাত জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া অভিযানের সময় ৪২ টন পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলা অভিযানে র্যাব-১০ ও পরিবেশ অধিদফতরের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
সাজাপ্রাপ্তরা হলো- রাফসান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. ফারুক, ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. সোহেল, কারিগর রাব্বি হোসেন, আরিফ হোসেন ও বাহার, রানা এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. বিল্লালসহ প্রত্যেককে দুই মাস করে এবং মধুমতি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজারকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বলেন, চকবাজারের দেবীদাস লেনে একই ভবনে অবস্থিত রাফসান এন্টারপ্রাইজ, ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ এবং রানা এন্টারপ্রাইজ নামক ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন নিষিদ্ধ পলিথিন ও পলিথিনের শপিং ব্যাগ উৎপাদন করছে। এ সময় পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা পরীক্ষা করে দেখেন, উৎপাদিত পলিথিনের পুরুত্ব ৫-১০ মাইক্রন। অথচ আইন অনুযায়ী ৫৫ মাইক্রনের নীচে উৎপাদন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ অপরাধের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাত জনকে জেল দেয়া হয়েছে। মালিকদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, পলিথিন বিপণনের দায়ে রহমানিয়া ট্রান্সপোর্ট এবং মধুমতি ট্রান্সপোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।