ঢাকা,  শুক্রবার   ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ক্যাম্পাস ]

সেশনজটের কারণে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ইবি শিক্ষার্থী মামুন

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:১৮, ১ অক্টোবর ২০২৬
সেশনজটের কারণে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ইবি শিক্ষার্থী মামুন
ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফার্মেসী বিভাগে সেশনজটের কারণে ফলাফল প্রকাশে দেরি হওয়ায় 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক' তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এক শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন বিভাগটির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ ঘটনায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
‎
‎জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে জীববিজ্ঞান অনুষদের সম্মিলিত স্নাতকের ফলাফলে ৩.৯০ সিজিপিএ পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তার অনার্সের রোল নম্বর হলো ১৯৩০০০৫ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলো ২১৮৭।
‎
‎বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা (সংশোধিত) ২০১৭ অনুযায়ী ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পৃথকভাবে মনোনয়ন প্রদান করতে হবে। তবে ২০২৫ সালের মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫' অনুযায়ী মনোনয়ন প্রদান করতে হবে।
‎
মামুনের দাবি, এই  নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মাঝে যাদের রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে তাদের লিস্ট পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। ফার্মেসী বিভাগের সেশনজট ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে পরীক্ষা শুরু হয় ২০২৫ এর নভেম্বর মাসে কিন্তু ফলাফল প্রকাশিত হয় এবছরের এপ্রিল মাসে। অন্যদিকে বাকি ৮ বিভাগের রেজাল্ট প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালে। এ কারণে উক্ত পদকের তালিকায় তার নাম না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরবর্তী পজিশনের একজনকে মনোনীত করা হয়েছে।
‎
‎মামুন আরও বলেন, 'এই নীতিমালা প্রতি বছর আলাদা আলাদা হওয়ায় পরবর্তী নীতিমালায় আমি এ পদক পাবো কিনা জানি না। এজন্য আমি শঙ্কায় ভুগছি।'
‎
‎সেই সময়ে ফার্মেসি বিভাগে সভাপতির দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, 'ফার্মেসি বিভাগে শুধুমাত্র ৪ জন শিক্ষক এজন্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আর রেজাল্ট তৈরিতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইটের সমস্যা আছে, তাই ওদের রেজাল্ট তৈরিতে আমাদের প্রায় ৩ মাস সময় লেগেছিল।'
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশিদ বলেন, 'আমি ওই শিক্ষার্থীর দরখাস্তটা পেয়েছি। সেটিকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অতিশীঘ্রই পাঠাবো।'

Advertisement
ডেইলি-বাংলাদেশ/ইবি/জেডআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!