মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চান জাহাঙ্গীর মিজি
মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের সন্তান মো. জাহাঙ্গীর আলম মিজি। করোনা মহামারির কঠিন সময়, বন্যা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন এই সমাজ সেবক। এবার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি তিনি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ বুকে ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন জাহাঙ্গীর আলম মিজি। করোনার ভয়াবহ সময়ে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ যখন চরমে, তখন সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন তিনি। পরবর্তীতে বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন জাহাঙ্গীর আলম মিজি। তার এসব কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নেও ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন জাহাঙ্গীর মিজি। স্কুল নির্মাণে সহযোগিতা এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচিত। একইভাবে বিভিন্ন মসজিদে দান-অনুদানসহ ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সহযোগিতা করে আসছেন।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকাকে নিজের সামাজিক দায়িত্ব মনে করেন জাহাঙ্গীর মিজি। তার ভাষায়, মানুষের জন্য কাজ করতে হলে শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বছরের প্রতিটি সময়ই মানুষের পাশে থাকা প্রয়োজন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমানে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন তিনি। চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জাহাঙ্গীর মিজি।
তিনি বলেন, মানুষের পাশে থাকার জন্য কোনো পদ-পদবির প্রয়োজন হয় না। আমি দীর্ঘদিন ধরে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। নির্বাচনে জনগণ আমাকে যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিকে আমি মানুষের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখতে চাই।