এখন আমি বুঝতে পারলাম যে বইয়েরা বই সম্পর্কে নিজেদের মধ্যে কেবল কদাচিত কথা বলে না- বরং পারস্পরিক আলাপচারিতায় মত্ত থাকে।
এই ভাবনার আলোকে লাইব্রেরিটিকে আমার কাছে আরো বেশি গোলমেলে বলে মনে হলো। তখন থেকে সেটি আমার কাছে হয়ে গেল শতাব্দী-পুরনো গুঞ্জন, একটা পশুর চামড়ার উপরে লেখা পান্ডুলিপির সঙ্গে অন্য পান্ডুলিপির সংলাপ, কোনো এক জীবন্ত বস্তু, একটা শক্তির আধার যাকে মানুষের মন শাসন করতে সক্ষম নয়, অনেক মানুষ থেকে উদগত ধন-ভাণ্ডারগুলোর গোপন কথা, যেগুলো বেঁচে ছিল, যারা সেগুলোকে সৃষ্টি করেছিল অথবা যারা সেগুলোর বাহক ছিল, তাদের মৃত্যুর পরেও।’
.png)